খুলে যাবে সম্ভাবনার অযুত দুয়ার আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া হবে জনতার’ আতাউর রহমান সরকার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী, সংসদীয় আসন-২৪৬, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া)। জনগণের কল্যাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান উন্নয়নে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। স্বচ্ছ রাজনীতি ও উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নই আমার লক্ষ্য।
আতাউর রহমান সরকারের নেতৃত্বে ইতিমধ্যে ০৭টি মসজিদ নির্মিত হয়েছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান উন্নয়নে অব্যাহত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
আতাউর রহমান সরকারের নেতৃত্বে ইতিমধ্যে ০৭টি মসজিদ নির্মিত হয়েছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান উন্নয়নে অব্যাহত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
আতাউর রহমান সরকারের নেতৃত্বে ইতিমধ্যে ০৭টি মসজিদ নির্মিত হয়েছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান উন্নয়নে অব্যাহত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
আতাউর রহমান সরকারের নেতৃত্বে ইতিমধ্যে ০৭টি মসজিদ নির্মিত হয়েছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান উন্নয়নে অব্যাহত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
আতাউর রহমান সরকারের নেতৃত্বে ইতিমধ্যে ০৭টি মসজিদ নির্মিত হয়েছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান উন্নয়নে অব্যাহত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
আতাউর রহমান সরকারের নেতৃত্বে ইতিমধ্যে ০৭টি মসজিদ নির্মিত হয়েছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান উন্নয়নে অব্যাহত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
একজন তরুণ সমাজকর্মী হিসেবে সক্রিয় কাজ করে যাচ্ছেন আতাউর রহমান সরকার। বিগত সময় তিনি সাধ্যমতো এই এলাকার মানুষের পাশে থাকার প্রয়াস চালিয়েছেন। সামাজিক নানা প্রতিষ্ঠানে ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষ্যে নানা দায়িত্বও পালন করার চেষ্ঠা করেছেন, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় কসবা মহিলা মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন এই যুবনেতা। তিনি রাজধানীর কারওয়ান বাজার শাহী জামে মসজিদ ও মাদ্রাসা ওয়াকফ ট্রাস্টের সিনিয়র সহ-সভাপতি, দারুল ইসলাম ট্রাস্টের সেক্রেটারী, বাংলাদেশ পাবলিকেশন লিঃ ও ফালাহ-ই-আম ট্রাস্টের নির্বাহী সদস্য, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির আজীবন সদস্য এবং ঢাকাস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পাল করছেন। প্রতিষ্ঠা করেছেন আলোকিত সমাজ উন্নয়ন সংস্থা।
আধুনিক কৃষি প্রশিক্ষণ ও যন্ত্রাংশের ব্যবস্থা করা। কৃষকদের জন্য সার, বীজ, কীটনাশক সহজলভ্যকরণ এবং কোল্ডস্টোরেজ সুবিধা সম্প্রসারণ।
ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে ই-ট্রেনিং সেন্টার, ফ্রিল্যান্সিং ও গ্রাফিক্স ডিজাইন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করা।
কসবা-আখাউড়ার সরকারি হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়ানো ও উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা, গ্রামীণ পর্যায়ে সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা ও কমিউনিটি ক্লিনিকের আধুনিকায়ন।
তথ্যপ্রযুক্তি ও ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং চালু করে আধুনিক যুগোপযোগী শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, নতুন উন্নতমানের স্কুল ও কলেজ, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন ও শিক্ষক সংকট নিরসন।
কাঁচা রাস্তা পাকাকরণ, ভাঙা সড়ক দ্রুত মেরামত, সড়কে ল্যাম্পপোস্ট স্থাপন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন।
কসবা-আখাউড়াকে মডেল থানা হিসেবে গড়ে তোলা, আধুনিক পুলিশিং ও থানাকে দালাল চক্র মুক্তকরণ, নারী-শিশু সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন।
কসবা-আখাউড়ায় নতুন স্টেডিয়াম নির্মাণ। ইউনিয়ন পর্যায়ে খেলার মাঠ সংস্কার ও সম্প্রসারণ, নিরাপদ ও আধুনিক বিনোদন কেন্দ্র স্থাপন।
কসবা-আখাউড়া রেস স্ট্যাশনে টিকেট কালোবাজারি বন্ধ করা।
প্রত্যেক ওয়ার্ডে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স গঠন, সচেতনতা বৃদ্ধি, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের প্রসার ঘটানো।
সততা আমাদের প্রথম ও প্রধান নীতি। সকল কাজে সততার সাথে এগিয়ে যাওয়া আমাদের মূলমন্ত্র।
সকলের জন্য সমান ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। কোনো বৈষম্য নয়, সবার জন্য সমান অধিকার।
সমাজ ও পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করা আমাদের কর্তব্য। প্রতিটি সিদ্ধান্তে এই দায়িত্ববোধ কাজ করে।
জনগণের সেবা করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। মানুষের কল্যাণে নিবেদিত থাকা আমাদের পরিচয়।
নতুন ধারণা ও পদ্ধতি প্রয়োগ করে সমস্যার সমাধান খুঁজি। প্রগতিশীল চিন্তায় বিশ্বাসী।
নিঃস্বার্থভাবে মানুষের সেবা করাই আমাদের ব্রত। সেবা পাওয়া প্রতিটি মানুষের অধিকার।